হাইকোর্টে রিট বালিশ ও আসবাবপত্র দুর্নীতি নিয়ে।

কালের সমাচার ডেস্ক।

হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে দুর্নীতি নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন।

সায়েদুল হক সুমন সাংবাদিকদের জানান, বিচারপতি তারিকুল হাকিম ও বিচারপতি সোহ্রাওয়ার্দী’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে সোমবার রিটটির শুনানি হতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা পত্রপত্রিকায় দেখেছি কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য ধরার বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে।

জনগণের সেই কমিটির প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। আমরা তাই বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছি।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, প্রত্যেক কাজের জবাবদিহিতা থাকা দরকার।

দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের খরচে যে টাকা দেখানো হয়েছে- তা এ দেশের জনগণের ট্যাক্সের টাকা। তাই বিষয়টি জবাবদিহিতায় আসা উচিত।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সচিবসহ ৬ জনকে।

উল্লেখ্য, দুদক অনুসন্ধানে নামছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিনসিটি প্রকল্পের ১১০ ফ্ল্যাটের জন্য অস্বাভাবিক মূল্যে আসবাবপত্র কেনা ও ভবনে উঠানোর ঘটনা নিয়ে।

এ ঘটনা তদন্তের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলীকে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিটিকে সময় বেঁধে দেয়া হবে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার জন্য।

মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে দুদককে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রিনসিটি প্রকল্পে ২০ ও ১৬ তলা ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র ও

প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনা এবং ভবনে উঠানোর কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে।