৬৮ জন ফেল ব্যবহারিকের নম্বর যোগ না হওয়ায়।

কালের সমাচার ডেস্ক।

নড়াইল সদর উপজেলার চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬৮ জন পরীক্ষার্থীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর যোগ না হওয়ায় অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরপত্র যথাসময়ে তৈরি করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানোর পরেও ঘটেছে এ ঘটনা।

এ ঘটনা প্রসঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে, এমনটি ঘটতে পারে নম্বরপত্র পাঠানোর সময় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে।

চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধ্রুব কুমার ভদ্র এ বিষয়ে বলেন,

‘স্কুল থেকে যথাসময়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরপত্র তৈরি করে নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এরপর এই নম্বরপত্র কেন্দ্র থেকে বোর্ডে পাঠানোর কথা।

কিন্তু, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩ জনের ব্যবহারিক নম্বর বোর্ডে পাঠানো হয়েছে এবং তারা সবাই ভালো ফলাফল করেছে।

বাকিদের নম্বরপত্র পাঠানো হয়নি। বাকি ৬৮ জনকে ওই বিষয়ে ফেল দেখানো হয়েছে। এবার নিয়মিত ৭১ এবং অনিয়মিত ৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল।

সোমবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে অনিয়মিত ৬ জন এবং নিয়মিত ৩ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে।’

নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং কেন্দ্র সচিব মহিতোষ কুমার দে এ ব্যাপার বলেন, ‘প্রত্যেক স্কুল বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবহারিক নম্বর তৈরি করে স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠায়।

কেন্দ্র এই নম্বরপত্র বোর্ডে পাঠায়। আমরাও এই নম্বর বোর্ডে পাঠিয়েছি। ৩ জনের নম্বর আপলোড হলেও বাকিদের হয়নি।

এটি আমাদের ভুলও হতে পারে, আবার সার্ভারের সমস্যাও হতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ মে) আইসিটি পরীক্ষার ফলাফলের নম্বরপত্র নিয়ে বোর্ডে যাবো। আশা করি কোনও সমস্যা হবে না।’

জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি ওই কেন্দ্রে যাই এবং যশোর বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ কেন্দ্র সচিব এবং চালিতাতলা সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে বোর্ডে যেতে বলেছেন।’