সারাদেশে ফণী আঘাত হানবে মধ্যরাতের পর।

কালের সমাচার ডেস্ক।


শামছুদ্দিন আহমেদ আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক জানিয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’।

সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ৩ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি এসব তথ্য জানান‘ঘূর্ণিঝড় ফণী’ এর গতিবিধি বিষয়ক ব্রিফিংয়ের সময়।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ফণীর প্রভাব প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে দেশের সব অঞ্চলের আকাশ মেঘলা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ফণী বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় হওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্তের বাইরে থাকার পরও মূল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে সারাদেশে।

আজ মধ্যরাতের পর এই ঝড় বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। আগামীকালও অব্যাহত থাকবে এই ঝড়।’

আরও বলেন শামছুদ্দিন আহমেদ, ‘এই মুহূর্তে ঝড়টি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।

গতি পরিবর্তন করায় ঝড়টি বাংলাদেশে প্রবেশে সময় নিচ্ছে। বাংলাদেশ যখন এই ঝড় আঘাত হানবে, তখন বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় কোথাও কোথাও ৬২, ৮০ ও ১০০ কিলোমিটার থাকবে।’

শামছুদ্দিন আহমেদ সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এ জন্য যে, অনেক সময় ১০০ কিলোমিটার গতির বাতাসেও প্রাণ ও ফসলহানি হয়।

এটি ভূমি দিয়ে আসছে। তাই প্রবল জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা কম, তবে এই আশঙ্কা উড়িয়েও দেওয়া যায় না।

উৎপত্তিস্থল থেকে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ফণী এখন ওড়িশায় অবস্থান করছেন।’

এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান,

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্যসচিব নজিবুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) ড. মো. শামসুল আরেফিন,

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব মো. শাহ কামাল ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।